গাঙচিল নিউজ ডেস্ক
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরুর পর প্রথমেই ভোট দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। এরপর ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। সংসদ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে ভোট দিয়ে ব্যালট নির্ধারিত বাক্সে জমা দিচ্ছেন।
ভোট গ্রহণ শুরুর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার নিয়ম ও নির্বাচনী বিধিমালা সম্পর্কে জানান। তিনি বলেন, "রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১ অনুযায়ী এ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।"
সিইসি প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করে বলেন, "এক নম্বর প্রার্থী অলি আহমদ এবং দুই নম্বর প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।"
ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সিইসি বলেন, "নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটারদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেবেন। ব্যালট পেপারের মুড়িতে নিজের নাম রয়েছে কি না, তা ভোটারদের দেখে নিতে হবে।"
ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষরের ক্রমানুসারে লেখা রয়েছে। ভোটারকে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে। এরপর ব্যালট পেপার নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।
বিকেল ৫টায় ভোট গ্রহণ শেষ হবে। এরপরই ভোট গণনা করা হবে বলে জানান সিইসি।
তিনি বলেন, "বৈধ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। পরে সরকারি গেজেটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।"
ভোট গ্রহণ ও গণনার পুরো প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ভোটারদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন বলেও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সম্পাদক: আবু সাইদ মোহাম্মদ আখতার হোসেন খান
০১৭২৬-৭৬৩০৩২ (সম্পাদক), ০১৭৯২-০৫৯৪৪৬ (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)