
স্পোর্টস ডেস্ক
মিশরের বিপক্ষে রাতটা লিওনেল মেসির জন্য শুরু হয়েছিল বেশ হতাশা দিয়ে। প্রথমার্ধে পেনাল্টি মিস করেছিলেন আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দলও একসময় ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই রাতই হয়ে উঠল মেসির আরেকটি বিশ্ব রেকর্ডের রাত।
আটলান্টায় শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর হেড থেকে আসা গোলে ব্যবধান কমার পর ম্যাচের ৮৩ মিনিটে সমতা ফেরান মেসির শট। যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজের নিঃশব্দ ঘাতকী হেড থেকে আসা গোলে সম্পূর্ণ হয় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন। মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডই পুনর্জন্ম হয় বিশ্বজয়ী আর্জেন্টিনার।
এই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড আরও এগিয়ে নিয়েছেন মেসি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বকাপে তার গোল এখন ২১টি। একই সঙ্গে টানা ৯ বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার রেকর্ডও নিজের নামে আরও মজবুত করেছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

মেসির জন্য রাতটি আরও অর্থবহ, কারণ শুরুটা নিখুঁত ছিল না। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হন তিনি। মোস্তফা শৌবির তার শট ঠেকিয়ে দিলে আর্জেন্টিনার চাপ আরও বেড়ে যায়। পরে মিশর দ্বিতীয় গোল করলে বড় অঘটনের শঙ্কাও তৈরি হয়।
কিন্তু শেষ ১১ মিনিটে বদলে যায় সব। প্রথমে মেসির ক্রসে রোমেরোর গোল, এরপর মেসির নিজের ফিনিশিং, আর শেষে এনজোর জয়সূচক গোল। পেনাল্টি মিসের হতাশা তাই ঢাকা পড়ে গোল, অ্যাসিস্ট, প্রত্যাবর্তন আর রেকর্ডের আলোয়।
