
স্পোর্টস ডেস্ক
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনাকে যে থামানো যায় না তার বড় প্রমাণ পেল থ্রি লায়ন্সরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ চারের মঞ্চে নিজেদের শতভাগ সাফল্যের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রেখেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ছয়বার সেমিফাইনাল খেলে প্রতিবারই ফাইনালে উঠেছে তারা।
আটলান্টায় ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়েছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রাখার চেষ্টা করছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে লিওনেল স্কালোনির দল। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির ক্রস থেকে লাওতারো মার্তিনেসের হেড নিশ্চিত করে আরেকটি ফাইনাল।
ছয় সেমিফাইনালের চারটিতে সরাসরি জিতেছে আর্জেন্টিনা। বাকি দুটিতে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে সমতা থাকলেও টাইব্রেকারে জয় তুলে নেয় তারা (১৯৩০: যুক্তরাষ্ট্রকে ৬-১ গোলে হারিয়েছিল, ১৯৮৬: বেলজিয়ামের বিপক্ষে জয় ২-০, ১৯৯০: ইতালির সঙ্গে ১-১ ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে জয়, ২০১৪: নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে জয়, ২০২২: ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়েছিল ৩-০ গোলে, ২০২৬: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় ২-১) অর্থাৎ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল থেকে আর্জেন্টিনার বিদায়ের কোনো নজির নেই।
এটি অবশ্য আর্জেন্টিনার সপ্তম বিশ্বকাপ ফাইনাল। ১৯৭৮ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পথে আলাদা কোনো সেমিফাইনাল ছিল না। সেবারের দ্বিতীয় পর্বও গ্রুপ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে সরাসরি ফাইনালে উঠেছিল স্বাগতিক আর্জেন্টিনা।
আনুষ্ঠানিক ফাইনাল খেলার হিসাবে আটবার নিয়ে সবার ওপরে জার্মানি। সাত ফাইনাল নিয়ে এককভাবে দ্বিতীয় স্থানে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল ও ইতালি খেলেছে ছয়টি করে আনুষ্ঠানিক ফাইনাল। ব্রাজিলের ১৯৫০ সালের উরুগুয়ে ম্যাচটি শিরোপা নির্ধারণী হলেও সেটি ছিল চার দলের চূড়ান্ত পর্বের ম্যাচ, আনুষ্ঠানিক ফাইনাল নয়।
এবার আর্জেন্টিনার সামনে চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন, যারা অন্য সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। নিউ জার্সিতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সোমবার (২০ জুলাই) রাত ১টা